১
তোমাদের ঘুমের মধ্যে সলতে পাকানো হচ্ছে
অথচ পাশ ফেরার পরেও কেউ কাঁথা সেলাই করেনি
চোখের তলায় যতটা কালি
এ মাটি ততটা গভীর হলে শিকড় পাবে
সমস্ত শীতকাল জুড়ে তেল গড়াচ্ছে
আমি বা তুমি ঠোঁট পেতে আগুন ধরব
উন্মুখ হে, কতটা ফোস্কা পেরোলে
আগুন
ধরা যায়!
ফুঁ দেওয়ার পরের দিন মোমপুকুর পেরিয়েছিলাম
একদিন আমরা সবাই ধুলো মেখে ফিরেছি
এত ধুলো জমেও এ বাড়ি মাটির হত না
দরজার পাশে মা না দাঁড়ালে
অথচ পাশ ফেরার পরেও কেউ কাঁথা সেলাই করেনি
চোখের তলায় যতটা কালি
এ মাটি ততটা গভীর হলে শিকড় পাবে
সমস্ত শীতকাল জুড়ে তেল গড়াচ্ছে
আমি বা তুমি ঠোঁট পেতে আগুন ধরব
উন্মুখ হে, কতটা ফোস্কা পেরোলে
আগুন
ধরা যায়!
ফুঁ দেওয়ার পরের দিন মোমপুকুর পেরিয়েছিলাম
একদিন আমরা সবাই ধুলো মেখে ফিরেছি
এত ধুলো জমেও এ বাড়ি মাটির হত না
দরজার পাশে মা না দাঁড়ালে
২
একটি প্রবল শূন্যের ভেতর মাটি কাটছ
পাহাড় থেকে পাথর যত আলগা
পুড়ে যাওয়ার পর ততটাই দেওয়াল
ঝুঁকতে ঝুঁকতে গুহা হয়েছ
অথচ তোমার এই বসে থাকা...
উচ্চারণের বহু আগে স্থাপত্য ছিল হয়তো
এই নিখুঁত গোলক থেকেই বয়ে যাওয়ার শুরু
শুধু যেখানে ছেনি হাতুড়ি ধরেছ সেখানে
কারও পেলব পা পড়েছিল কোনওদিন
পাহাড় থেকে পাথর যত আলগা
পুড়ে যাওয়ার পর ততটাই দেওয়াল
ঝুঁকতে ঝুঁকতে গুহা হয়েছ
অথচ তোমার এই বসে থাকা...
উচ্চারণের বহু আগে স্থাপত্য ছিল হয়তো
এই নিখুঁত গোলক থেকেই বয়ে যাওয়ার শুরু
শুধু যেখানে ছেনি হাতুড়ি ধরেছ সেখানে
কারও পেলব পা পড়েছিল কোনওদিন
৩
খোঁপা অবধি ছড়িয়ে পড়েছে হাত নাড়া
নদী অবধি দৃশ্যমানতা
এই পথ যতটা বেঁকেছে যেন
ততটা পোঁছনো গ্রাম নেই কোনও
পায়ের পাতার মতো উঠোন
আঙুল থেকে আরামে গভীরে
পাতা-মেয়ে ঘর তার
মাটি-মেয়ে গাছ
এই সমস্ত সাঁতারের আয়োজনে মেয়েরা
চোখ মেলে মাঠ মেলে অজুহাত সাজিয়ে রাখে
নদীমাতৃক অপেক্ষায়...
নদী অবধি দৃশ্যমানতা
এই পথ যতটা বেঁকেছে যেন
ততটা পোঁছনো গ্রাম নেই কোনও
পায়ের পাতার মতো উঠোন
আঙুল থেকে আরামে গভীরে
পাতা-মেয়ে ঘর তার
মাটি-মেয়ে গাছ
এই সমস্ত সাঁতারের আয়োজনে মেয়েরা
চোখ মেলে মাঠ মেলে অজুহাত সাজিয়ে রাখে
নদীমাতৃক অপেক্ষায়...
দ্বিতীয় কবিতাটা দীপ্ত। অসাধারণ। আহা দর্শন ভাই।
উত্তরমুছুন